Affiliate Marketing Course

এফিলিয়েট মার্কেটিং কোর্স এর বিস্তারিত সিলেবাস
(Affiliate Marketing Course Syllabus)

কোর্স হাইলাইটসঃ

মোট ১৮ টি ক্লাস পাবেন আপনি, এখানে ১৪ টি ক্লাস, আর ৪ টি ক্লাস আমরা আপনাকে গাইড দিবো, আপনি নিজে নিজে কাজ করবেন।

পাঠ্যক্রম:

Lecture 1ঃ * অ্যামাজন অ্যাফিলিয়েট কি? এই সিস্টেমটা কীভাবে কাজ করে? এফিলেয়েট হিসাবে কেনো আমরা এটাকে চুজ করবো?
* অ্যামাজন কীভাবে আমাদেরকে পে করবে? কি ভাবে অ্যামাজন অ্যাফিলিয়েট একাউন্ট সেটাপ করতে হবে?
Lecture 2ঃ কেস স্টাডি : নিশ নির্বাচন , কিওয়ার্ড রিসার্চ, লিঙ্কবিল্ডিং কম্পিটশন এনালাসিস,
Lecture 3ঃ কম্পিটশন সাইটের অনপেইজ এনালাসিস , এডিশনাল এনালাইসিস,
Lecture 4ঃ স্টেপ বাই স্টেপ এফিলিয়েট সাইট তৈরি।
Lecture 5ঃ প্রোডাক্ট সিলেক্টশন+ কিওয়ার্ড কম্পিটিশন এনালাইসিস।
Lecture 6ঃ ৫৬ কিওয়ার্ড সিলেকশন + এদের স্ট্রাকচার তৈরি।
Lecture 7ঃ ডোমিন হোস্টিং সিলেকশন।
Lecture 8ঃ ওয়েবসাইট ক্রিয়েশন এন্ড আর্কিটেকচার।
Lecture 9ঃ A-2-Z কনটেন্ট তৈরি।
Lecture 10ঃ ইন্টারনাল + এক্সটারনাল লিংক তৈরি।
Lecture 11ঃ সোশ্যাল মিডিয়া প্রমোশন। ( ফেসবুক, টুইটার, পিন্টারেস্ট, গুগুল প্লাস, রেডিট+লিঙ্কডিন)
Lecture 12ঃ লিংক বিল্ডিং A-2-Z।
Lecture 13ঃ মার্কেটিং এন্ড লিড জেনারেশন।
Lecture 14ঃ এডিশনাল মার্কেটিং এন্ড লিড জেনারেশন।
Lecture 15ঃ মনিটাইজেশন।
Lecture 16ঃ প্রাক্টিক্যাল কাজ ও ওয়েবসাইট রিভিউ বাই ইন্সটাক্টর।
Lecture 17ঃ প্রাক্টিক্যাল কাজ ও ওয়েবসাইট রিভিউ বাই ইন্সটাক্টর।
Lecture 18ঃ প্রাক্টিক্যাল কাজ ও ওয়েবসাইট রিভিউ বাই ইন্সটাক্টর।

আপনি কেনো এফিলিয়েট মার্কেটিং করবেন?

এফিলিয়েট মার্কেটারদের জন্য  ১২ টি এক্সক্লুসিভ সুবিধা

  1. বাসায় বসে বিজনেস করতে পারবেন, যার কারনে পরিবারকে প্রচুর সময় দিতে পারবেন।
  2. এফিলিয়েশন বিজনেসে আপনি আপনার নিজের বস! কেউ আপনাকে বলার নাই, এটা করো বা ওইটা করো।
  3. অল্প ইনভেস্টমেন্টে আপনি শুরু করতে পারবেন, প্রোডাক্ট রাখার ঝামেলা নেই।
  4. নির্দিষ্ট কাজের সময় নেই, যখন ইচ্ছা কাজ করতে পারবেন।
  5. প্রতিদিন কাজে যেতে হয় না, ট্র্যাফিক জ্যামে পড়ে থাকতে হয়না, এমনকি আপনি যেখানে সেখানে বসে কাজ করতে পারেন।
  6. আপনি যেই কাজ করতে ভালোবাসেন, তা করতে করতেই আপনি ভালো একটা এমাউন্ট ইনকাম করতে পারবেন।
  7. ব্যসিক ইংরেজি আর কম্পিউটার চালাতে পারলে আপনি এই কাজ ধীরে ধীরে শিখতে পারবেন।
  8. এই বিজনেস শুরু করতে আপনার দরকার একটা কম্পিউটার আর ভালো ইন্টারনেট কানেকশন।
  9. যেইসব কোম্পানির প্রোডাক্ট এফিলিয়েট করবেন আপনি, তদের খুব ভালো ইন্সট্রাকশন পাবেন আপনি কারন আপনি সেল করতে পারলে তাদেরই বেশি লাভ, আর আপনার লাভ তো আছেই।
  10. এটা এমন একটা পাসিভ ইনকাম যা দিন দিন বাড়বে, তবে আপনাকে কাজ করতে হবে তুলুনা মূলক কম।
  11. আপনি মূল সাইট টা দাড় করিয়ে ফেললে, আপনার সন্তান বা কাছের কাউকে বিজনেস টা একটু শিখিয়ে দিলে দিন দিন সে এটা মনিটাইয করতে পারবে।
  12.  এছাড়া Cost effective, Global Market, Almost No Fees, No Storage, No Shipping, No customer support, Passive income, Work from home, Blogging Niche Affiliate Marketing Training.

কি কি লাগবে আপনার এফিলিয়েশন করার জন্য?

  • পার্সোনাল কম্পিউটার ও ইন্টারনেট কানেকশন।
  • ইংরেজি লিখতে ও পড়তে জানা।
  • ওয়েবসাইট ডেভেলাপমেন্টের ব্যসিক স্কিল।
  • কিছু ইনভেস্টমেন্ট করার সক্ষমতা।
  • উদ্যোক্তার গুনাবলি থাকতে হবে।
  • ভর্তি পরীক্ষায় পাশ করতে হবে।
  • বয়স ১৮+ হতে হবে।
  • ন্যুনতম এস-এস-সি পাশ হতে হবে।

আপনি কোর্স করলে কি পাবেন?

 

  • দেড় ঘন্টা করে ১৮+ লেকচার।
  • এফিলিয়েট সাইট তৈরি করাতে পারবেন যা মনিটাইয করে লাইফ টাইম ইনকাম করা সম্ভব।
  • নিস সাইট করে ভালো দামে বিক্রি করে দিতে পারবেন।

কাদের জন্য এই কোর্স?

 

  • যারা  অনলাইন থেকে লং টাইমের জন্য প্যসিভ ইনকাম করতে চায় বিশেষ করে নিস / অ্যামাজন এফিলিয়েশন অথবা ব্লগিং করে।

এফিলিয়েশনের ফিউচার কেমন?

এফিলিয়েশনের ফিউচার কেমন তা জানতে হলে শুধু মাত্র তিনটা সাইট দেখুন। নাম্বার সাইটটা মাস্ট দেখতে হবে  সাইট ১  ,  সাইট ২  ও  সাইট ৩
Ans: এফিলিয়েশন অনেক বড় একটা ইন্ডাস্ট্রি, তাই শিখব বললেই সব শেখা সম্ভব নয়। যা প্রয়োজন তা শিখে নিতে হয়।সেই দিক থেকে এফিলিয়েশন দুই কারণে শেখা হয়। ১. লং টাইমের জন্য প্যসিভ ইনকাম করতে ২. এফিলিয়েশন ক্যারিয়ার গড়তে।
এফিলিয়েশন পেশা হিসেবে চরম সম্ভাবনাময়। আগের আলোচনা থেকে অনেকটাই উঠে এসেছে যে কেন এখনকার মার্কেট জায়ান্ট কোম্পানি হতে গেলে ইন্টার্নেট তথা গুগলের সাহায্য নিতে হবে। আর একটা কোম্পানি তো অবশ্যই কিছু কর্মীর সমন্বয়ে হয়। আর ভেবে দেখুন না এফিলিয়েশন যেহেতু অনেক বড় একটা ব্যাপার সেহেতু অবশ্যই একটা কোম্পানীর এফিলিয়েট মার্কেটিং এর জন্য এক থেকে একাধিক কর্মী লাগবেই, সেটা পার্মানেন্ট হিসেবে হউক অথবা আউটসোর্সড। আর এটা বলার অপেক্ষা রাখেনা যে এখনকার এমন কোন প্রতিষ্ঠান নেই যাদের ইন্টার্নেট নির্ভর মার্কেটিং দরকার নেই, ইকমার্স ভেঞ্চার বলুন আর ট্রেইনিং সেন্টারই বলুন, অথবা সার্ভিস সেলার, সবারই দরকার এফিলিয়েশন । আর যেহেতু আউটসোর্সিং আপনাকে শুধু দেশের অভ্যন্তরে নয়, পৃথিবীর যেকোন প্রান্তের জন্য কাজ করার দ্বার খুলে দিয়েছে, আসলেই কি কাজের অভাব হবে?
এফিলিয়েশনে মুখোমুখি হতে হয় এমন সমস্যাঃ
Ans: আমাদের অভিজ্ঞতায় আমরা দেখেছি এবং মুখোমুখি হতে হয়েছে এমন কিছু সমস্যা হলঃ
১. যখন অন্য কারও জন্য এফিলিয়েশন করতে হয়, একটা সার্ভিস হিসেবে তখন ক্লায়েন্টকে ফলাফল সম্পর্কে পরিপূর্ণভাবে আস্বস্থ করা সম্ভব হয়না, যে অবশ্যই ডেডলাইনের মধ্যেই সাইট প্রথম পেইজে আসবে গুগলে বা পেইজ রেঙ্ক বেড়ে একটা নির্দিষ্ট মান হবে। এর প্রধান কারণ গুগলের এলগরিদম প্রতিনিয়ত পরিবর্তন হওয়া। কেম্পেইনের শুরুতে এক মেথড ব্যবহার করলে দেখা যায় মাঝখানেই আবার এলগরিদম পাল্টেছে।
২. এফিলিয়েশনের প্রতিনিয়ত আপডেট গুলোর সাথে তাল মিলিয়ে থাকতে না পারা।
৩. এফিলিয়েশন অটোমেশন বা একটা সয়ংক্রিয় এফিলিয়েশন ক্যাম্পেইন তৈরি করলে দেখা যায় গুগল এলগরিদমের নড়াচড়ার কারণে ক্যাম্পেইন নষ্ট হয়।
৪. শুরুর দিকে অনবিজ্ঞ হওয়ার কারণে অনেকেই গুগল সার্চ করে পুরনো মেথড গুলো শিখে সেগুলো কাজে লাগাতে চায়, আর সেখানেই বিপত্তি, গুগল এলগরিদম এমনভাবে পরিবর্তন হচ্ছে যে আজকের ইথিকাল বা হোয়াইটহেট এফিলিয়েশন সিস্টেম আগামীকাল এলগরিদম পরিবর্তনের ফলে আন-ইথিকাল বা ব্ল্যাকহেট এফিলিয়েশনে রূপ নেয়। আর ব্ল্যাকহেট এফিলিয়েশন করা মানে হিতে বিপরীত হওয়া।
৫। এছাড়া এফিলিয়েশন হচ্ছে  লং টাইম গেইম, আপনাকে এখানে লেগে থাকতে হবে, নিয়মিত কাজ করতে হবে কাজ জানলে তেমন ইনভেস্ট করতে হবে না।
কেন এফিলিয়েশন কোর্স করা দরকার? শেখার জন্য গুগলই পর্যাপ্ত নয় কি?
Ans: হ্যা, অবশ্যই গুগল পর্যাপ্ত, কারণ গুগল থেকে পুরো পৃথিবীর ট্রেইনার দের রিসোর্স আমরা পাচ্ছি।
কিন্তু বোঝার ব্যপার হল, আমি যেসব সমস্যার কথা বলেছি, এর মধ্যে ৪র্থ নম্বরে বললাম গুগল থেকে যে পুরনো মেথড শিখে কাজে লাগায় তা উলটো রেজাল্ট দেয়, যেমন গুগলের পেইজে দেখাও না যেতে পারে আপনার সাইট। আপনি কিভাবে বুঝবেন যে ঐগুলো পুরনো হয়ে গিয়েছে কিনা?? আবার যেহেতু ব্লগিং করে আয় করা যায় সেহেতু অনেক অদক্ষ এস.ই.ও ওয়ার্কাররাও এস.ই.ও নিয়ে টিউটোরিয়াল লিখতে পারে যাতে অনেক ভুল থাকে, তার মানে আপনি ভুল শিখবেন।
সব মিলিয়ে বলতে গেলে একজন সয়ংসম্পূর্ণ মেন্টর আপনার দরকার রয়েছে শেখার জন্য। তবে এইটা তো আর ইংরেজি আর অংকের মত বিষয় নয় যে প্রাইভেট টিউটর রাখবেন, এর জন্য দরকার একটি ট্রেইনিং সেন্টার। ট্রেইনিং সেন্টার সম্পর্কে আমার তিক্ত অভিজ্ঞতা আছে, বাংলাদেশের ৯০% ট্রেইনিং সেন্টারই একটা সিলেবাস ধরিয়ে দেয় আর টুকটাক ট্রেইন করার নামে টাকা হাতিয়ে নেয়। তাই আমি ট্রেইনিং সেন্টার পছন্দ করিনা। তবে এখন কিছু ট্রেইনিং সেন্টার রয়েছে যাদের ব্যাপারে আমার পজিটিভ ভিউ আছে। এর কারণ হল এইসব ট্রেইনিং সেন্টারের কর্ণধার এবং ট্রেইনাররা ফেসবুক, ব্লগ ইত্যাদি মাধ্যমে হাজার হাজার এস.ই.ও বা অন্যান্য কোন বিষয়ে পরামর্শ দিয়ে আসছেন, শিখিয়ে আসছেন এবং তাও সম্পূর্ণ বিনামূল্যে। আর যারা বিনামূল্যে এভাবে শিখিয়ে যাচ্ছেন, তারা নাম মাত্র ফী নিয়ে কোর্স করালে যে কিছু শেখাবেন না অন্যদের মত এটা কেউ বললে সে বোকার স্বর্গের বাসিন্দা ছাড়া আর কিছু নয়।

কোর্স ফিঃ ১৪,৫০০ টাকা।

শিক্ষাগত যোগ্যতা সিলেক্ট করুন*
SSCHSCGraduationOthers

কোর্স সিলেক্ট করুন*
ওয়েব ডিজাইনওয়েব ডেভেলপমেন্টক্রিয়েটিভ গ্রাফিক্স ডিজাইনএ্যানিমেশন ডিজাইনপ্রফেশনাল ভিডিও এডিটিংএফিলিয়েট মার্কেটিংডিজিটাল মার্কেটিংপিএসডি ওয়েব টেমপ্লেট ডিজাইনপিএসডি টু এইচটিএমএলওয়ার্ডপ্রেস ও থিম কাস্টমাইজইউটিউবগুগল এ্যাডসেন্সব্লগিংঅফিস ম্যানেজমেন্ট

© All Rights Reserved WebCreation
Contact the WebCreation Team